ড্র দিয়ে শেষ হলো রিয়ালের লা লিগা

দৈনিক নতুন বিশ্ববার্তা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০২০

শেষটা ভালো হলো না রিয়াল মাদ্রিদের। দুবার এগিয়ে গিয়েও জিততে পারল না তারা। উজ্জীবিত পারফরম্যান্সে লিগ চ্যাম্পিয়নদের রুখে দিয়েছে লেগানেস। অবশ্য ফেভারিটদের বিপক্ষে এমন ড্রয়ের পরও অবনমনের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে। লেগানেসের মাঠ থেকে রোববার রাতে লিগের শেষ রাউন্ডে ২-২ ড্র করে ফিরেছে জিনেদিন জিদানের দল। তিন দিন আগে ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে শিরোপা জেতা ম্যাচের দলে সাতটি পরিবর্তন এনে খেলতে নামে রিয়াল। শুরুতে সের্হিও রামোসের গোলে তারা এগিয়ে যাওয়ার পর সমতা টানেন ব্রায়ান গিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মার্কো আসেনসিওর গোলে সফরকারীরা আবার এগিয়ে যাওয়ার পর লেগানেস ফের সমতায় ফেরে রজার আসালের গোলে। দুই মৌসুম পর লিগ শিরোপা ঘরে তোলা রিয়াল ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে ফেদে ভালভেরদের নেওয়া জোরালো শট বাঁক খেয়ে জালে ঢুকতে যাচ্ছিল। ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক। এর চার মিনিট পরেই এগিয়ে যায় চ্যাম্পিয়নরা। ইসকোর ক্রস ডি-বক্সে পেয়ে লাফিয়ে হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন রামোস। আসরে স্প্যানিশ সেন্টার-ব্যাকের এটি একাদশ গোল। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক গোলে সমতা টানে অবনমনের শঙ্কায় খেলতে নামা লেগানেস। বাঁ দিক থেকে জোনাথন সিলভার বাড়ানো ক্রস প্রথম ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়ান গিল। দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় রিয়াল। বাঁ দিক থেকে ইসকোর দারুণ পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন আসেনসিও। আবারও পিছিয়ে পড়ার পর বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে লেগানেস। দূরপাল্লার শটে দুবার চেষ্টাও করে তারা, তবে থিবো কোর্তোয়ার পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া আলফুঁস আরিওলাকে পরাস্ত করতে পারছিল না দলটি। চাপ ধরে রেখে ৭৮তম মিনিটে দ্বিতীয় দফায় সমতা টানে লেগানেস। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের পাস ডি-বক্সে পেয়ে নিচু শটে গোলটি করেন আসালে। বাকি সময়েও বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে তারা, দারুণ সুযোগও পেয়েছিল দলটি; কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি সুযোগ। করোনাভাইরাস বিরতির পর টানা ১০ ম্যাচ জিতে শিরোপা পুনরুদ্ধার করা রিয়াল শেষে এসে পয়েন্ট হারাল। ২৬ জয় ও ৯ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৭। আলাভেসের মাঠে ৫-০ গোলে জেতা বার্সেলোনা ৮২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থেকে লিগ শেষ করেছে। শীর্ষে চারে থেকে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়া বাকি দুই দল হলো আতলেতিকো মাদ্রিদ (৭০) ও সেভিয়া (৭০)। আর অবনমন হওয়া তিন দল হলো লেগানেস, মায়োর্কা ও এস্পানিওল। লেগানেসের মাঠ থেকে রোববার রাতে লিগের শেষ রাউন্ডে ২-২ ড্র করে ফিরেছে জিনেদিন জিদানের দল। তিন দিন আগে ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে শিরোপা জেতা ম্যাচের দলে সাতটি পরিবর্তন এনে খেলতে নামে রিয়াল। শুরুতে সের্হিও রামোসের গোলে তারা এগিয়ে যাওয়ার পর সমতা টানেন ব্রায়ান গিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মার্কো আসেনসিওর গোলে সফরকারীরা আবার এগিয়ে যাওয়ার পর লেগানেস ফের সমতায় ফেরে রজার আসালের গোলে। দুই মৌসুম পর লিগ শিরোপা ঘরে তোলা রিয়াল ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে ফেদে ভালভেরদের নেওয়া জোরালো শট বাঁক খেয়ে জালে ঢুকতে যাচ্ছিল। ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক। এর চার মিনিট পরেই এগিয়ে যায় চ্যাম্পিয়নরা। ইসকোর ক্রস ডি-বক্সে পেয়ে লাফিয়ে হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন রামোস। আসরে স্প্যানিশ সেন্টার-ব্যাকের এটি একাদশ গোল। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ এক গোলে সমতা টানে অবনমনের শঙ্কায় খেলতে নামা লেগানেস। বাঁ দিক থেকে জোনাথন সিলভার বাড়ানো ক্রস প্রথম ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়ান গিল। দ্বিতীয়ার্ধের সপ্তম মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় রিয়াল। বাঁ দিক থেকে ইসকোর দারুণ পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন আসেনসিও। আবারও পিছিয়ে পড়ার পর বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে লেগানেস। দূরপাল্লার শটে দুবার চেষ্টাও করে তারা, তবে থিবো কোর্তোয়ার পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া আলফুঁস আরিওলাকে পরাস্ত করতে পারছিল না দলটি। চাপ ধরে রেখে ৭৮তম মিনিটে দ্বিতীয় দফায় সমতা টানে লেগানেস। বাঁ দিক থেকে সতীর্থের পাস ডি-বক্সে পেয়ে নিচু শটে গোলটি করেন আসালে। বাকি সময়েও বেশ কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে তারা, দারুণ সুযোগও পেয়েছিল দলটি; কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি সুযোগ। করোনাভাইরাস বিরতির পর টানা ১০ ম্যাচ জিতে শিরোপা পুনরুদ্ধার করা রিয়াল শেষে এসে পয়েন্ট হারাল। ২৬ জয় ও ৯ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৭। আলাভেসের মাঠে ৫-০ গোলে জেতা বার্সেলোনা ৮২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থেকে লিগ শেষ করেছে। শীর্ষে চারে থেকে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়া বাকি দুই দল হলো আতলেতিকো মাদ্রিদ (৭০) ও সেভিয়া (৭০)। আর অবনমন হওয়া তিন দল হলো লেগানেস, মায়োর্কা ও এস্পানিওল।