দুটি অবৈধ সোঁতিজালের বেড়া অপসারণ

দৈনিক নতুন বিশ্ববার্তা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:৪৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

পিপ : পাবনার চাটমোহরে মাছ ধরতে দেওয়া দুটি সোঁতিজালের বেড়া অপসারণ করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হান্ডিয়াল ইউনিয়নের ডেফলচড়া ও ছাইকোলা ইউনিয়নের জিয়ালগাড়ি বিল সংলগ্ন নদী থেকে বেড়া দুটি অপসারণের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারকি হাকিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈকত ইসলাম। মৎস্য সংরক্ষণ আইনে সোঁিতজাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হওয়ায় এ আদেশ দেওয়া হয়।
জানা গেছে, অপসারণের আগে দুটি সোঁতিজাল দিয়ে সংঘবদ্ধভাবে মাছ ধরছিলেন ডেফলচড়া, চরনবীন ও হা-িয়াল এলাকার বেশ কিছু ব্যক্তি। বিষয়টি জানার পর অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় চাটমোহর মৎস্য অধিদফতর ও উপজেলা প্রশাসন।
এলাকাবাসী বলছে, বাঁশ-জাল দিয়ে বেড়া দেওয়া হয় নদীতে। বেড়ার একটি অংশ ফাঁকা রেখে সেখানে পাতা হয় সোঁতিজাল। অতি সুক্ষ ফাসের এ জালে ছোট-বড় সব ধরণের মাছসহ নানা ধরণের জলজপ্রাণী আটকা পড়ে। অধিক মাছ ধরার জন্য এ জাল দেওয়া হয়। সোঁতিজাল শুধু মাছের ওপরই নয়, আবাদি জমি থেকে পানি নামার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিল থেকে ধীরে পানি নামায় রবি আবাদ ব্যহত হয়। এলাকাবাসী আরও জানিয়েছে, আরও ৪/৫ টি ছোট বড় সোঁতিজাল বিদ্যমান রয়েছে হা-িয়াল ও নিমাইচড়া এলাকায়। এ সব সোঁতিজালের বেড়া অপসারণে এখনও কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি তাদের।
চাটমোহর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, সোঁতিজালের বিষয়ে অভিযান চলমান রয়েছে। একটি সোঁতিজাল অপসারণ করতে কয়েক ঘণ্টা লাগে। আজ দুটি অপসারণ করা হয়েছে। বাকিগুলো অপসারনে অভিযান চালানো হবে। তিনি জানান, বর্ষার এ সময়টাতে মাছ ধরতে বাঁধা নেই। মাছ ধরার সাথে জেলেদের জীবিকা জড়িত। কিন্তু পদ্ধতি হিসেবে সোঁতিজাল দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন না কেউ। তিনি বলেন, যারা সোতিঁজাল দিয়ে মাছ ধরছে, তাদের বেশিরভাগ জলাশয় বা জলকর ইজারা নিয়েছে। তাই মাছ ধরার ক্ষেত্রে আইনের যতটুকু ব্যতয় ঘটেছে, ততটুকু ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।