সাঁথিয়ায় নিষ্কাশন ক্যানেলে বাধ দিয়ে মাছ শিকার : পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় অনাবাদির আশঙ্কা হাজারো হেক্টর জমি

দৈনিক নতুন বিশ্ববার্তা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

পিপ : পাবনার সাঁথিয়ায় নিস্কাশন ক্যানেলে বাধ দিয়ে মাছ ধরায় পানি প্রবাহ বন্ধ হওয়ায় প্রায় ১২ গ্রামের কৃষকের হাজার হাজার হেক্টর জমি পানির নিচে। প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ। জমির মালিক ও লিজ গ্রহিতাদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মহুর্তে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের ছোন্দহ গ্রামের “ছোন্দহ ব্রীজ থেকে ধরের ব্রীজ” পর্যন্ত নিষ্কাশন ক্যানেলে বাধ দেওয়ায় পানি যেতে পারছে না। ক্যানেলটি ধুলাউড়ি ইউনিয়নের রামকান্তপুর মাঠ থেকে শুরু করে রামকান্তপুর, রাউতি, ফুলবাড়ি, চৌবাড়িয়া, ভায়নাপাড়া, চুলকাটি, দাড়ামুদা, ছোন্দহসহ অন্ততঃ ১২ গ্রামের কৃষকের জমির পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ক্যালেন। ক্যানেলে ওই ইউনয়নের চেয়ারম্যানের নিটক থেকে লিজ নিয়ে ছোন্দহ গ্রামের মহসিন, মহাতাব, মঞ্জুর কাদের, আজমত, উজ্জল, জাফর, রশিদ, বদি, ফারুক, ওয়াজেদ, বাবুলরা বাঁশ-চটের বাধ দিয়ে পানি বন্ধ করে মাছ ধরছে। বিশাল এলাকার মাঠের পানি যেতে না পারায় কৃষকের মাঠে পেয়াজ, রসুন, রাই, শরিষা, কালাই, গম, মসুরসহ এ মৌসুমের বিভিন্ন ফসল করতে পারবে না। তারা বিশাল ক্ষতির সম্মখিন হবে। ছোন্দহ গ্রামের ক্যানেলের দু-পারে যাদের জমি আছে তাদেরকে নিজ জমিতেও যেতে দেয়া হয় না। ক্যানেরের বাধ অপসরন করতে প্রায় দুই শতাধিক লোকের স্বাক্ষরিত অভিযোগসাঁথিয়া ইউএনও সহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে।
লিজ নেয়া ছোন্দহ গ্রামের মাহাতাব আলী বলেন, চেয়ারম্যানকে এক লক্ষ টাকা দিয়ে লিজ নিয়েছি। ছোন্দহ গ্রামের আরাফাত, রাশিদুল, মিজানুরসহ অনেকে বলেন, বিগত বছরে ছোন্দহ গ্রামের কয়েক জন তাদের নিজ জমিতে জাল ফেললে চেয়ারম্যনের লোকজন উক্ত জাল নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর চড়াও হলে পালিয়ে রক্ষা পায়। জমির মালিক ও মাছ ধরা ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাছ করছে। যে কোন মহুর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
নিস্কাশন ক্যানেলটি লিজ দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিটন মোল্লাকে বার বার ফোন দেওয়া হলে তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।