অষ্টমনিষা ইউপি চেয়াম্যান ও সচিবের অনুপস্থিত থাকায় ৭ দিন ধরে জনতা সেবা পাচ্ছেনা

দৈনিক নতুন বিশ্ববার্তা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

মজিবুল হক লাজুকঃ গত ২৩ সেপ্টেম্বর অষ্টমনিষা ইউপি চেয়াম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগের পেক্ষিতে একদল সাংবাদিক পরিষদে ঘটনার সত্যতা যাচাই এর জন্য গেলে সাধারন জনগন নানা রকম অভিযোগ করেন। তারা অভিযোগে জানায় , এই আইনুল হক চেয়ারম্যান ও সচিব মানজিলার অবহেলায় কারণে আমরা সাধারন মানুষ সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। তারা ০৭ দিন যাবৎ পরিষদে ঠিকমতো আসছেনা। আমরা সাধারন ইউনিয়ন বাসি একটি কাজে পষিদে আসলে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকেও কোন সেবা পাচ্ছিনা। কারন চেয়ারম্যান তার ইচ্ছা হলে পরিষদে আসে আর ইচ্ছা না হলে পরিষদে আসেনা। আমরা যদি তার কাছে একটা শালিশ দরবার কিংবা বিচার নিয়ে যাই তাহেল সে আমাদের বিচার শালিশ কিছুই করেনা আমাদের চেয়ারম্যান হয়েও। অথচ পরিষদে এখন সরকার গ্রাম্য আদালতে ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এ ছাড়া সচিব মানজিলা এলাকার আওয়ামীলীগ নেতার মিয়ে হওয়ায় ঠিক মতো পরিষদে আসেনা । যার কারণে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতে সচিবের সাহায্য থেকেও আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। এ সময় রফিক নামের এক বয়স্ক মুরব্বি বলেন আমার বেটার জন্য প্রত্যায়ন পত্র লেবো আজ নিয়ে পাঁচ দিন আইসলাম তাও চেয়াম্যান সচিবের দেহা পালেম না। তালি কও সুমবাদিক বেটা ইগের ভোট দিয়ে লাব আছে আমাগের যদি সেবাই না দেয়। পরিষদে প্রবেশ করতেই ভবনের রং চং উঠে, দেওয়ালে সেওলা জমে, দরজা জানালা ভেঙ্গে গিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পরিবেশ একেবারে নাজেহাল হয়ে রয়েছে। অথচ তার পাশেই নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটিতে গেলে দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদটি অনেক সুন্দর ভাবে সুন্দর পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছে। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আইনুল হক পরিষদে না থাকায় পরিষদ সহকারীর সাথে কথা হলে চেয়াম্যান ও সচিব ভাঙ্গুড়া উপজেলায় কাজে গেছে বলে সাংবাদিকের প্রশ্ন এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি । কিন্তু চেয়ারম্যান সচিবের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি কোন কাজে যাইনি বরং বাসায় অবস্থান করে বিশ্রাম নিচ্ছেন । এ সময় চেয়ারম্যান আইনুল হক এ কাজ সেকাজ ও ব্যাস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেয় সাংবাদিকের। চেয়ারম্যান আইনুল হকের কাছে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়নে বরাদ্দ এসেছে কিনা জানতে চাইলে আমি বিএনপি চেয়ারম্যান তাই আমার কাছে কোন অর্থ বরাদ্ধ আসেনা বলে চেয়ারম্যান জানায়। অথচ উপজেলা পরিষদের কাছে এ বিষয় জানতে চাইলে তারা বলেন প্রত্যেকটি ইউনিয়ন পরিষদের মতো অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদ সঠিক ভাবে অর্থ বরাদ্ধা পাচ্ছে। এ ছাড়াও অষ্টমনিষা পরিষদে গিয়ে দেখা গেছে পরিষদের নামে আসা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জিনিসপত্র অবহলোয় পরে আছে। যা দীর্ঘদিন পরে থেকে নষ্ট হচ্ছে এবং সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। সেই সাথে সাধারন ইউনিয়ন বাসির জীবন মান উন্নয়নের জন্য আসা প্রকল্পের কাজগুলো অসমাপ্তই থেকে যাচ্ছে। এমনি সব অভিযোগের পাহাড় নিয়ে অষ্টমনিষা চেয়ারম্যান আইনুল হক ও সচিব জুবাইয়া আফরিন মানজিলা কোন কিছুর পরোয়া না করেই সাধারন ইউনিয়ন বাসিকে সীমাহিন দুর্ভোগের মধ্যে রেখেছেন।