প্রথমে প্রেম: পরে বিয়ে: শেষে ॥ স্ত্রী ও সন্তান ফেলে এক লম্পট যুবক লাপাত্তা

দৈনিক নতুন বিশ্ববার্তা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:২০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

রফিকুল ইসলাম ফরিদ ঃ স্ত্রী ও পেটের শিশু সন্তান ফেলে রেখে এক লম্পট যুবক মামুন মিয়া এখন লাপাত্তা। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনা শহরের কদমতলায়। জানা গেছে, পাবনা ডায়াবেটিক সমিতিতে মোছা: বিলকিস খাতুন (১৯) জুনিয়র অফিস সহকারী পদে ৯ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন। বিলকিসের দেশের বাড়ি পাবনা জেলার ভারুড়া উপজেলার রোমানাথপুর গ্রামে (ময়দান দিঘী)। ঐ গ্রামের আব্দুল মাজেদ ও জ্যো¯œা খাতুনের রুপসী কন্যা বিলকিস খাতুনের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার খানপুর গ্রামের (খোর্দ্দ গজাইল) আব্দুল করিম ও নাসিমা খাতুনের ভবঘুরে লম্পট ছেলে মামুন মিয়ার (১৮) প্রেম প্রেম খেলা চলতে থাকে। এক পর্যায়ে ২ লাখ টাকা কাবিন নামা মূলে ২০১৯ সনের ৫ ডিসেম্বর মামুন ও বিলকিসের বিয়ে হয় পারিবারিক সম্মতিতে। মামুন ও বিলকিস পাবনা শহরের কদমতলা এলাকায় ২২শ টাকা ভাড়ায় একটি বাসায় বসবাস করতে থাকে। কিন্তু ২০২০ সনের এপ্রিল মাসে প্রতারক লম্পট মামুন মিয়া তার স্ত্রী বিলকিস খাতুনকে ফেলে রেখে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। তখন বিলকিস ছিলেন ৪ মাসের গর্ভবতী। ২০২০ সনের আগষ্ট মাসে বিলকিস একটি ফুটফুলে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। নব জাতাকের নাম ইকরামুল (৪৩ দিন)। এমতাবস্থায় ঠকবাজ মামুন মিয়া বিলকিসকে ডিভোর্স লেটার পাঠায়। এ ব্যাপারে মামুন মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বললে (মোবাইল নং ০১৭২৭-১১৫১২৬ এবং ০১৮৪২-৪৩১৩৭৫) মামুন জানায় তিনি কাবিন নামার ২ লাখ টাকা দিবেন না। এমনকি স্ত্রী ও পুত্রকেও গ্রহন করবেন না। মামুন এ প্রতিবেদককে আরো বলেন প্রশাসন, পুলিশ ও র‌্যাব তার কিছুই করতে পারবে না। এ দিকে অসহায় বিলকিস তার নবজাতক পুত্র সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা। বিলকিসের মা জ্যো¯œা খাতুন জানান, পাবনা ডায়াবেটিক সমিতির সহকর্মীরা তাদের কিছু আর্থিক সহায়তা দিলেও এখন তাদের ঘরে খাবার নেই। নবজাতকের দুধের পয়সা ও বাড়ি ভাড়া তারা কিভাবে পরিশোধ করবেন এটাই তাদের দু:চিন্তা। এমতাবস্থায় প্রতারণার শিকার বিলকিস খাতুনকে কোন স্বহৃদয় ব্যক্তি আর্থিক ও আইনী সহযোগিতা করলে কিছুটা আশার আলো দেখতে পেতেন বলে কান্না জড়িত কণ্ঠে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার এ প্রতিবেদককে জনান। বিলকিসের মোবাইল নং ০১৭৩২-৫৬৩৫৭৮ ও ০১৭২৩-৯৬৫২৩৮।