পদ্মায় তীব্র স্রোত: দৌলতদিয়া ঘাটে পার হওয়ার অপেক্ষায় যানবাহন

দৈনিক নতুন বিশ্ববার্তা অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০

পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত, ফেরি সংকট ও শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুট বন্ধ থাকার কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে। দীর্ঘ সময় পারের অপেক্ষায় থেকে চালকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

শনিবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে তীব্র ¯্রােত ও ফেরি সংকট রয়েছে। যে কারণে ফেরি চলাচলে বিঘিœত হচ্ছে। ¯্রােতের কারণে অতিরিক্ত সময় লাগছে ফেরিগুলোর। এদিকে রোরো ফেরি হামিদুর রহমান বিকল রয়েছে ও ইউটিলিটি ফেরি সন্ধ্যামালতী ¯্রােতে বিপরীত চলতে পারে না। যে কারণে বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় তিন শতাধিক যানবাহনের সারি রয়েছে। এদিকে দৌলতদিয়া ঘাট যানজট মুক্ত রাখার জন্য ১২ কিঃমিঃ দুরে গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় প্রায় ৫শতাধিক পন্যবাহী ট্রাক ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে।
জানা যায়, ১৫ জুলাই সন্ধ্যা থেকে নদীতে ডুবো চরের কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট বন্ধ রয়েছে। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে অতিরিক্ত চাপ পড়েছে।এসময় একাধিক ট্রাক চালক বলেন, দুই দিনেরও বেশি সময় লাগছে ফেরি পার হতে। ট্রাক ভাড়ার সিংহ ভাগ ঘাটে বসে খরচ হয়ে যায়।
যশোর থেকে ঢাকাগামি ট্রাক চালক সুবল চন্দ্র বলেন, গোয়ালন্দ মোড়ে ২দিন আটকা ছিলাম। ঘাটে এসে রয়েছি একদিন। তাহলে ফেরি পার হবো কবে। এদিকে তিন দিন বসে থাকার কারণে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যান্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি’র) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহ ব্যবস্থাপক মোঃ মাহাবুব হোসেন জানান, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুট বন্ধ এবং নদীতে ¯্রােত থাকার কারণে ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় কিছু যানবাহন রয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমান ৬টি রোরো (বড়), ১টি মাঝারী ও ৬টি ইউটিলিটি (ছোট) সহ মোট ১৩টি ফেরি চলাচল করছে